চেহারায় তারুণ্য ধরে রাখতে করণীয়

image_pdfimage_print

 

বয়সের সঙ্গে সঙ্গে চেহারায় তার ছাপ পড়বেই। কিন্তু একটু সচেতন থাকলেই চেহারায় আর ছাপ পড়বে না। আর এই কাজগুলো তেমন কঠিন কিছুই নয়। প্রতিদিনের কাজগুলো একটু নিয়মমাফিক করলেই চেহারায় ধরে রাখতে পারবেন তারুণ্য।

দৈনিক আট ঘণ্টা ঘুমানো অত্যন্ত জরুরি। ঘুমোলে পরিশ্রম, ক্লান্তিভাব দূর হয়। শরীর সতেজ ও সুস্থ থাকে। ঘুমের কোনো বিকল্প নেই।

চিকিৎসকরা বলেন, প্রতিদিন অন্তত আধঘণ্টা হাঁটা জরুরি। তবে মৃদুগতিতে হাঁটা নয়, দ্রুতগতিতে হাঁটতে হবে। হাঁটলে শরীরে রক্ত সঞ্চালন ভালো হয়। এতে শরীর হয়ে ওঠে ঝরঝরে। অকাল বার্ধক্যের হাত থেকে রক্ষা পাওয়া যায়।

সূর্যের আলোয় চামড়ায় ট্যান পড়ে। শরীর ও মনের ক্লান্তি জমা হয় ত্বকে। অতিবেগুনি রশ্মির হাত থেকে ত্বককে রক্ষা করতে সানস্ক্রিন লোশন লাগাতে হবে।

ভালো থাকতে প্রচুর পরিমাণে পানি পান করতে হবে। ভাজা জাতীয় খাবার থেকে যতটা সম্ভব দূরে থাকতে হবে।

ধুমপানের অভ্য়েস থাকলে তৎক্ষণাৎ ছেড়ে দিতে হবে।

অ্যান্টি অক্সিডেন্টযুক্ত খাবার, যেমন-পাকা কলা, পাকা পেঁপে, পাকা আম, পাকা পেয়ারা, দই, ছানা, দুধ, ডিম, টাটকা শাকসবজি ইত্যাদি বেশি করে খেতে হবে।

ভালো গান, অবসরে পছন্দের কাজে আস্তে আস্তে মন খারাপ কাটিয়ে ওঠা সম্ভব। জীবনে সুস্থ ও তরতাজা থাকতে মানসিকভাবে সতেজ থাকাটাও যে জরুরি।

জীবনে অবসাদ থাকবেই। নানা ওঠাপড়া নিয়েই জীবন। স্ট্রেস মাত্রাতিরিক্ত হলে শরীরে অ্যাড্রিনালিন গ্রন্থি থেকে এক ধরনের হরমোন বের হয়, যা শরীরে টক্সিন ছড়ায়। শরীর বুড়িয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে এই হরমোন অনেকাংশে দায়ী। তাই সর্বদা ইতিবাচক থাকতে হবে। জীবনের সুন্দর অভিজ্ঞতাগুলির স্মৃতি অবসাদ কাটিয়ে উঠতে সাহায্য করে।

এইচএন/জেআইএম

image_pdfimage_print

Leave a Reply